পানির অপচয় রোধে সতর্ক থাকার আহবান তাজুল ইসলামের

পানির অপচয় রোধে সতর্ক থাকতে দেশের সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি।

তিনি আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচতে সঠিকভাবে নিয়মিত হাত ধোঁয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। পানি ব্যবহারে সতর্ক না হলে শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পানি সংকটে পড়বে। পানি সম্পদকে সমৃদ্ধ ও পানি সহজলভ্য রাখতে বিকল্প উৎসের সন্ধানও করতে হবে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, হাত ধোঁয়া ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যে কতটুকু জরুরি বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় তা বুঝিয়ে দিয়েছে। রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকতে হাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশেসহ সারা বিশ্বের অনেক মানুষ এখনও হাত ধোঁয়ার বিষয়ে সচেতন নয়। মানুষকে সচেতন করতেই এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী নির্দেশনার জন্য দেশে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনাভাইরাসের মহামারীর শুরু থেকেই সারাদেশে প্রতিটি মানুষের কাছে সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে জনসচেতনতা তৈরি করা । আর জনসচেতনতা তৈরির জন্য গণমাধ্যম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সফলভাবে সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা (এসডিজি) ২০৩০ সফলভাবে অতিক্রম করবে এবং ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি দারা জনসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *