ব্রেকিং নিউজ

সৌন্দর্য ও লাস্যের বাইরেও অনেক কিছু আছে, প্রমাণ করেছেন দীপিকা

সময়ের সঙ্গে পালটেছেন নিজের অভিনয়। পালটেছেন ব্যক্তিগত জীবন।

ফিল্মের নাম ‘তামাশা’। গান- অগর তুম  সাথ হো। দেখতে দেখতে অঝোরে কাঁদছি। সিনেমা হলে ওভাবে কোনও দিন কাঁদিনি আমি। সৌভাগ্যক্রমে সেটা ছিল শুক্রবার সকালের ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো। আশেপাশে তাই খুব বেশি লোক ছিল না। সে দিনের কান্নার জল যদি জমিয়ে রাখতে পারতাম, আমার বড়সড় পপকর্ন টাব ভরে ছলকে পড়ত।

পরে ভাবতে গিয়ে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম। ভেতরে ভেতরে আগে থেকেই জানতাম, কিন্তু কোনও দিন অত গভীরে গিয়ে ভাবিনি। যখন কোনও সুন্দরী ভেঙে পড়ে, সেটা অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক এক অভিজ্ঞতা। কারণ সেই সুন্দরী সবার কল্পনায় সব সময় নিখুঁত থেকেছেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি তাঁর সত্যিকারের চেহারা তুলে ধরলেন। তাঁর চরিত্রের যে দিক সম্পর্কে আপনার কোনও ধারণাই ছিল না, সেই দিকটা আপনার সামনে মেলে ধরলেন।

বিশ্বের তাবড় তাবড় অভিনেতা আমাকে যত না কাঁদিয়েছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি করে আমাকে কাঁদিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। ‘তামাশা’ ফিল্মের সেই রাতে রণবীর কাপুর যখন ও রকম আচরণ করলেন (সবাই হয়তো ফিল্মটা দেখেননি, তাই এর চেয়ে বেশি লিখছি না), দীপিকার চরিত্রের ভেতর কিছু একটা ভেঙে গিয়েছিল। আর দীপিকার কষ্ট দেখে আমার ভেতরেও যেন কিছু একটা চুরমার হয়ে গেল। এ কি শুধু অভিনয়? না কি বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে নিংড়ে নেওয়া বারুদ? কেউ জানে না। তবে যা-ই ছিল, একদম স্পটে লেগেছিল। আর কষ্ট দিয়েছিল। খুব, খুব কষ্ট।

রিওয়াইন্ড করে এক দশক আগে ফিরে যাচ্ছি। শহরের এক শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি সংবাদপত্রে জার্নালিস্ট আমি। আইটিসি সোনার হোটেলে ফারাহ খানের সঙ্গে লাঞ্চ করতে যাব। অন্য কোনও কাজে তিনি তখন শহরে এসেছিলেন। কিন্তু আমার আসল উদ্দেশ্য তাঁর আসন্ন ফিল্মের হিরোইন কে হবে, সেই খবরটা বের করা। ফিল্মের নাম? ‘ওম শান্তি ওম’।

About editor

Leave a Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com